বিশ্বে ৫ বছরে ই-বর্জ্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ শতাংশ : জাতিসঙ্ঘ

৩ জুলাই, ২০২০ ২০:০৪  
গত ৫ বছরে বিশ্বের ই-বর্জ্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বলেছে, প্রতিবছর যে পরিমান ই-বর্জ্য হচ্ছে তার মূল্য ৫৫ বিলিয়ন ডলার। আর এই ই-বর্জ্য স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বিত অর্থনীতি ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য এ বিষয়টিতে নজর দেয়া জরুরি। গত ১ জুলাই বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছর কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ইলেক্ট্রনিক পণ্য ও গাড়ির যন্ত্রাংশ থেকে ৫ কোটি ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্যে সৃষ্টি হয়েছিলো। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ ই-বর্জ্য রিসাইকেল করা হয়। রিপোর্টে বলা হয়, ডিভাইসগুলোর স্বল্পমেয়াদ এবং রিসাইকেল অবকাঠামোর অভাবে ই-বর্জ্য ক্রমাগত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সলিড ওয়াস্ট এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিস মাভরোপুলস বলেছেন, ‘বিশ্বের জনসংখ্যার তুলনায় ই-বর্জ্য তিন গুণ এবং গত পাঁচ বছরে বিশ্বের জিডিপি’র তুলনায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সবচেয়ে বেশি ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে এশিয়ায়। মহাদেশটিতে ২ কোটি ৪৯ লাখ ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে। আমেরিকায় ১ কোটি ৩০ লাখ টন, ইউরোপে ১ কোটি ২০ লাখ টন, আফ্রিকায় ২৯ লাখ টন ও ৭ লাখ মেট্রিক টন। তবে মাথাপিছু ই-বর্জ্য সৃষ্টির শীর্ষে রয়েছে ইউরোপ। বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চেয়ে ৩ গুণ বেশি গতিতে ই-বর্জ্য বাড়ছে উল্লেখ করে জাতিসঙ্ঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ই-বর্জ্যে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। অপরদিকে ই-বর্জ্যে থাকে গোল্ড, সিলভার, প্লাটিনাম ও কপার। এসব সংগ্রহ করে নতুন পণ্য উৎপাদন করা যায় উল্লেখ করে রিসাইকেল পণ্য তৈরির অবকাঠামো নির্মাণে জোর দিয়েছে ওই প্রতিবেদনে।